Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

ক. আত্নীয়-স্বজন হাজতী বন্দীদের সাথে ১৫ দিন অন্তর অন্তর একবার করে দেখা করা যাবে।
খ. কয়েদী বন্দীদের সাথে মাসে একবার দেখা করা যাবে।
গ. ডিটেন্যু ও নিরাপদ হেফাজতী বন্দীদের সাথে দেখা করতে হলে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও আদালতের অনুমতি প্রয়োজন।
ঘ. দেখা সাক্ষাৎ সর্বোচ্চ ৩০ (ত্রিশ) মিনিটের মধ্যে শেষ করতে হবে এবং সর্বোচ্চ ৫(পাঁচ) জন একসাথে একজন বন্দীর সাথে দেখা করতে পারবেন।
ঙ. বন্দীদের সাখে দেখা করার জন্য কোন প্রকার টাকা পয়সা লেনদেন নিষিদ্ধ। কেউ টাকা দাবী করলে জেল সুপার/ জেলারকে জানাতে হবে।
চ. মোবাইল বা অন্য কোন নিষিদ্ধ দ্রব্য নিয়ে সাক্ষাত কক্ষে প্রবেশ করা যাবে না।
ছ. বন্দীদের সাথে সাক্ষত প্রার্থীদের দেখা সাক্ষাত প্রক্রিয়া দূনীতি মুক্ত করা হয়েছে।
জ. বন্দীদের সাথে তার কৌশলী দেখা সাক্ষাতের সুযোগ প্রদান করা হয়।
ঝ. বন্দীদের সাথে দেখা করার জন্য জেল সুপারের বরাবরে আবেদন করতে হবে। যারা আবেদনপত্র লিখতে সক্ষম নয় তাদের সহায়তা করার জন্য রিজার্ভ এ কর্তব্যরত কর্মচারীর স্লিপের মাধ্যমে দেখা করার সুযোগ পাবে।
ঞ. নিদিষ্ট সময় পূর্বে বা পরে দূর দূরান্ত থেকে আগত সাক্ষাত প্রার্থীদের সাথে বন্দীদের সাক্ষাতের জন্য সাধারনতঃ মানবিক দৃষ্টিকোন হতে অনুমতি প্রদান করা হয়।
ট. কারাগারে আটক বন্দী অথবা কারো সমন্ধে কোন তথ্য জানতে চাইলে কারাগারের ফটকের সামনে অবস্থিত রিজার্ভ গার্ডে কর্তব্যরত প্রধান কারারক্ষীর সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
ঠ. সাক্ষাত প্রার্থীদের সহজ ও ন্যায্য মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রবাদী সরবরাহের লক্ষে প্রত্যেক কারাগারে ১(এক)টি করে ক্যান্টিন/দোকান চালু করা হয়েছে। আগত সাক্ষাত প্রার্থীরা নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদী ন্যায্য মূলে ক্রয় করে বন্দীদের সরবরাহ করতে পারেন। এতে একদিকে যেমন কারাগারে অবৈধ দ্রব্যাদির প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত হবে অন্যদিকে সাক্ষাত প্রার্থীরা সহজলভ্য ও সঠিক জিনিস ক্রয় করতে পারবেন।
ড. সাক্ষাত প্রার্থীগণ কর্তৃক বন্দীদের জন্য দেওয়া মালামাল যথাযথভাবে বন্দীর নিকট পৌছানো নিশ্চিত করা হয়।